মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

 

 

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড

বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহী

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

পরিচিতি:

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। সাবেক সরকারি কর্মচারী কল্যাণ অধিদপ্তর ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (কল্যাণ তহবিল ও যৌথবীমা তহবিল)-কে একীভূত করে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪ এর মাধ্যমে এ বোর্ড গঠিত হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বোর্ডের চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক (সচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন) বোর্ডের প্রশাসনিক প্রধান এবং রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রধান হচ্ছেন পরিচালক।

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

  1. ১৯৫২ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার ষ্টাফ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন নামে একটি সংস্থা গঠন করে;
  2.  ১৯৬২ সালে তৎকালীন প্রাদেশিক সরকারও অনুরূপ একটি সংস্থা গঠন করে;
  3.  ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক কল্যাণ কার্যক্রমকে একীভূত করে সাবেক সংস্থাপন বিভাগে অধীনে কর্মচারী কল্যাণ সংস্থা  গঠন করে;
  4.  ১৯৭৯ সালে উক্ত সংস্থাকে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিদপ্তরে রূপান্তর করা হয়;
  5.  ১৯৮২ সালের অধ্যাদেশ নং ৩৯ এর মাধ্যমে বোর্ড অব টাষ্টিজ ( কল্যাণ ও যৌথবীমা তহবিল) গঠন করা হয়;
  6.  ১৯৯৯ সালে উক্ত পরিদপ্তরকে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়;
  7.  সাবেক সরকারি কর্মচারী কল্যাণ অধিদপ্তর ও সাবেক বোর্ড অব ট্রাষ্টিজ (কল্যাণ তহবিল ও যৌথবীমা তহবিল) - কে একীভূত করে ২০০৪ সালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড নামে একটি বোর্ড গঠন করা হয়েছ ।

 

রাজশাহী বিভাগের অধিক্ষেত্র : রাজশাহী বিভাগের অধীন ৮টি জেলা।

রাজশাহী বিভাগের জনবল : বিভিন্ন শ্রেণির ২৪টি পদ।

সেবা গ্রহীতা: প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত অসামরিক এবং স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থার কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারবর্গ।

বোর্ডের সেবাসমূহ:

  1. মাসিক কল্যাণ অনুদান (মাসিক ২,০০০/- হারে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত - মৃত কর্মচারীর পরিবারকে প্রদেয়);
  2. যৌথবীমার এককালীন অনুদান (সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা - কর্মকালীন মৃত্যুবরণকারী কর্মচারীর পরিবারকে প্রদেয়);
  3. সাধারণ চিকিৎসা অনুদান (বছরে সর্বোচ্চ ৪০,০০০/- টাকা - কর্মচারী ও পরিবারের সদস্যদের অসুস্থতার জন্য প্রদেয় );
  4. কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি/শিক্ষাসহায়তা (বছরে সর্বোচ্চ ২ সন্তানের জন্য একবার);
  5. দাফন/অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুদান (৩০,০০০/- কর্মকালীন মৃত্যুবরণকারী কর্মচারীর পরিবারকে প্রদেয়);
  6. অফিসে যাতায়াতের জন্য পরিবহন সুবিধা;
  7. মহিলাদের জন্য কারিগরী প্রশিক্ষণ (কম্পিউটার ব্যাসিক, গ্রাফিকস ডিজাইন, সেক্রেটারিয়েল সাইন্স, সেলাই, ব্লক, এমব্রয়ডারী এবং কনফেকশনারি);
  8. বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

 

বোর্ডের আয়ের উৎস:

  • প্রাপ্ত চাঁদা (কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মাসিক বেতন হতে ১% হারে সর্বোচ্চ ১৫০/- টাকা);
  • প্রিমিয়ামের অর্থ (কর্মকর্তাদের বেতন থেকে যৌথবীমার প্রিমিয়াম বাবদ ০.৭০% হারে সর্বোচ্চ ১০০/- টাকা এবং ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী প্রিমিয়াম বাবদ সরকারি অনুদান);
  • সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান এবং
  • অর্থ বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত মুনাফা

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter